হারাণ,ঈশ্বর আর আমি
হারাণ,ঈশ্বর আর আমি
আমার ঘিলুর জল বাষ্পীভূত
সকালে বিকেলে
খালি পায়ে অলাতচক্র ভ্রমণ
করি আমি ,আজকাল
হারাণ জেলের গুটিয়ে নেওয়া
জালে চুনোপুঁটি, কুচোচিংড়ির দল ।
অমাবস্যার গুটোনো আলোয়
নক্ষত্রের সমাবেশ
আর আমার বাষ্পীভবন !
কলার দুদিকেই উচিয়েছি
আজ
প্যান্টের পকেট টেনে ঝুলিয়েছি
বাইরে ।
ছ'কান দ্বারা কলরোল শুনি
ছ'কান দিয়ে ঔদ্ধত্য বোঝাই
ছ'কান কর্তৃক শূন্যতার গর্ব করি
হারাণ জাল নামায় পুকুরে,
গুটোতেই থাকে
,
আমার চোখের মতো খুদে খুদে
মাছ ধরা পড়ে ।
আমার চোখের গ্রন্থি ছিঁড়ে
খায় বাষ্পীভবন
আমার ঘিলুর জল উবে যায়
ধীরে ।
অলাতচক্র ভ্রমণ করতে করতে
প্রশ্বাস নিই
ফুলে ওঠে ফুসফুস
প্রসারণশীল ব্রক্ষ্মাণ্ডও
ফুলতে ফুলতে নক্ষত্রদের দূরত্ব বাড়ায়!
আর প্রিয়তম হারাণ গুটোতে
গুটোতে ছেড়ে দেয়
ফুলে ওঠে জাল জলের ভেতর
।
আবার পুঁটিদের শোরগোল,
আবার চিংড়ির মাটিখোঁজা !
আমার শিশ্ন থেকে ঝরে যায়
জন্মসম্ভাবনা অযুত শুক্রাণুর নিম্নগামী
নিশ্চুপ মিছিল ।
প্রসারণশীল ব্রক্ষ্মাণ্ডেরও
ইচ্ছে হয় !
মাঝে মাঝে বৃষ্টি নামে
সহজ সরল
মাঝে মাঝে ধূমকেতু,
তারাপাত হয় ।
হারাণ,
ঈশ্বর আর আমি
আজকাল আগুনবৃত্তে হাঁটাহাটি
করি।
হারাণ,
ঈশ্বর আর আমি
বহুকাল
উন্মাদচিকিৎসালয়ের ঘনিষ্ঠ
বন্ধু ।

Comments
Post a Comment